
কালীগঞ্জে জমিজমা ও রাস্তা বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আহত ১০, রাস্তা অবরুদ্ধ,হুমকির গৃহবন্দী অর্ধশতাধিক মানুষ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সহযোগিতা কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবার
কালিগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ভাটিরা গ্রামে জমিজমা ও যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় একাধিক পরিবারের ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলার পর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে বাঁশের বেড়া ও টিনের ঘর নির্মাণ করে অভিযুক্তরা।ফলে ১৫টি পরিবারের অন্তত ৫০ জন নারী-পুরুষ, শিশু, শিক্ষার্থী ও প্রতিবন্ধী বর্তমানে গৃহবন্দী হয়ে দিন কাটাচ্ছেন।স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের একটি পুরনো চলাচলের পথ নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধ সমাধান করে দিলেও হামলাকারীরা এই বিচার না মেনে আমাদের ইটের রাস্তার ইট বিছানো সলিং তুলে ফেলে ঘটনার দিন সকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর অনুমতি নিয়ে অবরুদ্ধ পরিবারগুলো পুরনো মাটির রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু করে। ইটা বসিয়েছিল কাজ শেষের দিকে পৌঁছালে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী লাঠিসোটা, রড, সাবল ও দা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।হামলায় শফিকুল ইসলাম, নিহাজ শিকদার, তরিকুল ইসলাম ও শরীফ শিকদার নারী শিশু বিদ্যা সহ ১০ জন গুরুতর আহত হন। কয়েকজনের মাথায় সাবল দিয়ে আঘাত করায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।হামলা চালিয়ে ক্ষান্ত না হয়ে প্রতিপক্ষ রাস্তার ইট তুলে ফেলে এবং বাঁশ ও টিনের ঘর দিয়ে যাতায়াতের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর চিকিৎসাসেবা নেওয়া বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাইরে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই তাছাড়া প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগীদের প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা এলাকায় চরম আতঙ্কও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করেছে।ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দ্রুত অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং চলাচলের রাস্তা পুনর্বাহালের জন্যআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, তারা লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন অনুসন্ধানে গিয়ে বেড়া খুলে রাস্তা চলাচলের জায়গা করে দিয়েছেন । পুলিশ আরো জানায় বিষয়টি তদন্ত করেদোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে পুলিশ রাস্তা খুলে দিলেও প্রতিপক্ষের লোকেরা পুনরায় আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে দলবল নিয়ে স্থাপনা তৈরি করে টিনের ঘর নির্মাণ করে রাস্তা অবরুদ্ধ করে দেয় উল্লেখ্য এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে স্থানীয় মহিলা মেম্বার আসমা ও খলিল মেম্বার রাস্তা সংস্করণের প্রতিশ্রুতি দেন আসমা মেম্বার শর্ত দেন ইটের ঘর ভেঙে দিলে রাস্তার জায়গা দেওয়া হবে প্রথমে তিনি সম্মতি দিয়ে আবার পরে তার বিপক্ষে বিপরীতে কাজ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।আসমা ও খলিল নাম্বারের সিদ্ধান্তে ও নির্দেশে ইটের ঘর ভেঙে রাস্তার জায়গা করে দেয় ভুক্তভোগী পরিবার,কিন্তু পরে প্রতিশ্রুতি না রাখার ও অভিযোগ উঠে স্থানীয় মহিলা মেম্বার আসমার বিরুদ্ধে।