
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রিতে গত ৩ ও ৪ মে সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর পরবর্তী সময়ে হুমকি-ধমকি ও প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মুকুলের অনুসারীরা সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর অব্যাহতভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন।
অতি সম্প্রতি মো. সেলিম নামে ব্রির একজন স্টোর অফিসারকে বদলির জন্য নথি উপস্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সেলিমের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপি করার ‘অপরাধে’ তিনি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তাঁকে একাধিকবার বদলি করা হয়েছে এবং পদোন্নতি থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
নথিতে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু ড. রফিকুল ইসলাম মহাপরিচালক হিসেবে এ ধরনের কোনো নির্দেশ দেননি বলে ব্রির বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতিকে অবহিত করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো. ইব্রাহিম মোবাইল ফোনে বিষয়টি প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুরূপ আরেকটি ঘটনায় একজন কর্মচারীর অভিযোগের পর একজন ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলবের নথি পরিচালক প্রশাসন পর্যন্ত চলে যায়। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, মহাপরিচালক কিংবা পরিচালক—কেউই এ ধরনের নোটের সূচনা করতে বলেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ব্রির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পক্ষ দাবি করেছে, ড. মুকুলের নির্দেশে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ও বিতর্কিত পদোন্নতি পাওয়া সিনিয়র সহকারী পরিচালক কাওসার আহমেদ এ ধরনের নোট উপস্থাপনের সঙ্গে জড়িত।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, মহাপরিচালক বা পরিচালক নির্দেশ না দিলেও কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক নথি তৈরি হয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে।
তাঁদের মতে, এ ধরনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে নথি উপস্থাপনের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।